কেন চিহ্ন ছাড়া, আর তিনটি সূত্র لِمَاذَا بِلَا حَرَكَاتٍ
বেশির ভাগ ছাপা আরবিতে যের-যবর থাকে না। তিনটা সূত্র জানলে আওয়াজ নিজেই বসে যায়।
এই ধাপের সবচেয়ে বড় পুরস্কার শুরু হচ্ছে।
কেন চিহ্ন ছাড়া
বেশির ভাগ ছাপা আরবি, বই, খবরের কাগজ, সাইনবোর্ড, কোনো যের-যবর ছাড়াই লেখা হয়। অভ্যস্ত পাঠক নিজে থেকেই আওয়াজ বসিয়ে পড়ে নেন।
ভয় নেই। তুমি শব্দ চেনো, ছাঁচ চেনো, আর শেষের চিহ্নের কাজ জানো। এই তিনটা জানা থাকলেই চিহ্ন ছাড়া পড়া যায়। শুরুতে ধীরে, তারপর আপনা-আপনি দ্রুত। এটা কোনো জাদু নয়, শুধু চেনা জিনিস কাজে লাগানো।
তিনটি সূত্র
১ · শব্দ চেনাশব্দটা আগে দেখেছ, তাই আওয়াজ জানো।
২ · ছাঁচ চেনাছাঁচ বলে দেয় কোন যের-যবর বসবে।
৩ · কাজ চেনাবাক্যে কাজ বুঝলে শেষের চিহ্ন আন্দাজ হয়।
তিনটাই তুমি আগের সেগমেন্টগুলোতে শিখেছ। আজ শুধু একসাথে কাজে লাগানো।
জেনে রাখো: প্রথম যুগের উসমানি মুসহাফে কোনো যের-যবর বা নুকতা ছিল না, সাহাবিরা মুখস্থ থেকে পড়তেন। পরে সহজ করতে চিহ্ন যোগ করা হয়। অর্থাৎ 'চিহ্ন ছাড়া পড়া' কুরআনের আদি রূপ, আর তুমি সেই পথেই হাঁটছ।
তিনটে সূত্র নিজের ভাষায় বলো: শব্দ চেনা, ছাঁচ চেনা, কাজ চেনা।