ডিভিডেন্ড Dividend
কোম্পানির লাভ থেকে শেয়ারহোল্ডারদের দেওয়া ভাগ — নগদ টাকায় বা বোনাস শেয়ারে।
কোম্পানি বছর শেষে লাভ করলে দুটো কাজ করতে পারে: লাভটা ব্যবসায় আবার খাটাতে পারে, অথবা একটা অংশ শেয়ারহোল্ডারদের ভাগ করে দিতে পারে। এই ভাগটাই ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ।
বাংলাদেশে ডিভিডেন্ড আসে দুই রূপে: ক্যাশ ডিভিডেন্ড (সরাসরি টাকা, সাধারণত শেয়ারের ফেসভ্যালুর শতাংশ হিসেবে ঘোষণা হয়) আর স্টক ডিভিডেন্ড বা বোনাস শেয়ার (টাকার বদলে বাড়তি শেয়ার)। ঘোষণার সাথে "রেকর্ড ডেট" থাকে — ওই তারিখে যাদের নামে শেয়ার, ডিভিডেন্ড তারাই পান।
ডিভিডেন্ড নিয়মিত ও ভালো হারে দেওয়া অনেক সময় কোম্পানির স্বাস্থ্যের লক্ষণ — তবে একমাত্র লক্ষণ না। কোম্পানির আয় (ইপিএস) না বেড়ে শুধু বোনাস শেয়ার দিলে আপনার ভাগের মোট মূল্য আসলে বাড়ে না — শেয়ার সংখ্যা বাড়ে, প্রতিটার দাবি ছোট হয়।
উদাহরণ: ১০ টাকা ফেসভ্যালুর শেয়ারে কোম্পানি "২০% ক্যাশ ডিভিডেন্ড" ঘোষণা করলে আপনি প্রতি শেয়ারে পাবেন ২ টাকা — আপনার ৫০০ শেয়ার থাকলে ১,০০০ টাকা (কর কাটার আগে)।