ডাইভারসিফিকেশন Diversification
সব ডিম এক ঝুড়িতে না রাখা — এক জায়গার লস যেন অন্য জায়গার লাভে সামাল দেওয়া যায়।
দাদি-নানিরা বহু আগেই বলে গেছেন: সব ডিম এক ঝুড়িতে রেখো না। ডাইভারসিফিকেশন সেই কথারই ফাইন্যান্স সংস্করণ — টাকাটা এক শেয়ারে, এক খাতে বা এক ধরনের সম্পদে না রেখে ছড়িয়ে দেওয়া, যেন একটা খারাপ করলে পুরো সঞ্চয় ডোবে না।
ছড়ানো যায় কয়েক স্তরে: এক কোম্পানির বদলে কয়েকটা কোম্পানি; এক খাতের (যেমন শুধু ব্যাংক) বদলে কয়েক খাত; আর শুধু শেয়ারের বদলে শেয়ার + বন্ড + সঞ্চয়পত্র + এফডিআর মিলিয়ে। ছোট পুঁজিতে এতগুলো শেয়ার কেনা কঠিন — সেখানে মিউচুয়াল ফান্ড এক ইউনিটেই ছড়ানোর কাজটা করে দেয়।
সীমাটাও জানুন: ডাইভারসিফিকেশন কোম্পানি-নির্দিষ্ট ঝুঁকি কমায়, কিন্তু পুরো বাজার পড়লে (যেমন বড় ধস) সবাই কমবেশি পড়ে — সেই ঝুঁকি ছড়িয়েও পুরো যায় না।
উদাহরণ: পুরো ১ লাখ এক কোম্পানিতে রাখলে সেটা ৪০% পড়লে আপনার লস ৪০,০০০। পাঁচ জায়গায় ২০,০০০ করে রাখলে এক জায়গার ৪০% পতনে লস ৮,০০০ — বাকিরা স্থির থাকলেও ক্ষতিটা সামলানোর মতো।